প্রথম আলো

কোচিং ক্লাসে পড়ানোর নামে যা করলেন গৃহশিক্ষক, জানলে শিউরে উঠবেন

প্রথমে লজ্জায় আর ভয়ে বাড়িতে কিছু জানাতে পারে না। পরে হতাশায় হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করতে যাওয়ার সময়ে বাড়িতে ধরা পড়ে যায়।

এই ধর্ষিতা উপত্যকা আমার দেশ না। লেথক নবারুণ ভট্টাচার্য থাকলে হয়তো এই কথাটাই বলতেন। সারা দেশে যেভাবে ধর্ষণের সংখ্যা বাড়ছে, সুরক্ষা শব্দটার আর কোনও অস্তিত্ব থাকবে বলে মনে হয় না।
শুধু দেশ নয়, আক্রান্ত এই শহরও। সোমবার, ১২ জুন দক্ষিণ কলকাতার বাঘাযতীন এলাকায় ঘটেছে এরকম এক ঘটনা। ১৫ বছর বয়সী এক নাবালিকাকে বাঘাযতীনের আই ব্লক অঞ্চলের বাসিন্দা আশিষ শ ধর্ষণ করার চেষ্টা করেন। পেশায় গৃহশিক্ষক আশিষ, আই ব্লক অঞ্চলে গত এক বছর একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে কোচিং ক্লাস চালাতেন। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেনির ছাত্রছাত্রীদের এখানে পড়ানো হতো। পাশাপাশি চাকরির পড়াও এখানে পড়ানো হতো।
গত সোমবার, ১৫ বছরের সেই ছাত্রী পড়তে যাওয়ার পরে তার একা থাকার সুযোগ নিয়ে তাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করেন। এরপরে কোনওরকমে কোচিং ক্লাস থেকে পালিয়ে এসে বাড়ি পৌঁছায় সে। প্রথমে লজ্জায় আর ভয়ে বাড়িতে কিছু জানাতে পারে না। পরে হতাশায় হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করতে যাওয়ার সময়ে বাড়িতে ধরা পড়ে যায়। এরপরে বাড়ির লোকের কাছে সব খুলে বললে, অভিভাবক সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যাদবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
ছাত্রীর বন্ধুবান্ধবেরা এই খবর জানার পরে ভাঙচুর চালায় কোচিং সেন্টারে। ধৃতের বিরুদ্ধে ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগ-সহ পক্সো আইনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। আজ তাকে আলিপুর আদালতে তোলা হবে। গতকাল এই ঘটনা সামনে আসার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কোচিং সেন্টার।

No comments:

Post a Comment